ওয়েব ডেস্ক: উত্তর ভারতের পর এবার ঝাড়খণ্ড (Jharkhand Flood)। টানা বৃষ্টির (Heavy Rainfall) জেরে নেমে এল বিপর্যয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘটল দুর্ঘটনা। এতে এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, আর একজন এখনও নিখোঁজ। রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনা এড়াতে ইতিমধ্যে একাধিক জায়গায় সতর্কতা (Flood Alert) জারি করা হয়েছে।
লাগাতার বর্ষণের জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলছে সরাইকেলা-খারসওয়ান জেলা থেকে। সেখানে কাঁচাবাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে এক মহিলা ও তাঁর সাত বছরের ছেলের। একই জেলার আরেক জায়গায় দেওয়াল চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছে এক পাঁচ বছরের এক শিশু। ওই ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের সরাইকেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন: শিশুর প্রাণ বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি! নদী পার করে অসাধ্যসাধন নার্সের
এদিকে রাজনগর ব্লকের দান্ডু গ্রামে দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আটজন। অন্যদিকে, চাতরা জেলায় সিয়ারি নদীতে ভেসে গিয়েছেন এক দম্পতি। স্বামীর মৃতদেহ উদ্ধার হলেও স্ত্রী এখনও নিখোঁজ। এছাড়াও বৃষ্টিজনিত আরেক ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর মিলেছে।
রাজ্যের নদীগুলির জলস্তরও বিপদসীমা ছুঁয়ে ফেলেছে। জামশেদপুরে মাঙ্গো সেতুর কাছে সুবর্ণরেখা নদী ও আদিত্যপুর সেতুর কাছে খরকাই নদী প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার উপরে। কোদারমা জেলায় তিলাইয়া বাঁধের জলস্তর বাড়তে থাকায় একসঙ্গে খুলে দেওয়া হয়েছে আটটি গেট।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঝাড়খণ্ডে আগামী ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। পালমৌ, গারওয়া ও ছাতরা জেলায় লাল সতর্কতা জারি রয়েছে রবিবার পর্যন্ত। পাশাপাশি রাঁচি, লতেহার, খুঁটি, লোহাড়গা, সরাইকেলা-খারসওয়ান ও পূর্ব-পশ্চিম সিংভূমে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
দেখুন আরও খবর: